বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ওয়াইল্ডলাইফের সুপারভাইজার সরোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, জেনেটিক পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় বাঘের শরীরের রং সাদা হয়। এদের ওজন হয় অন্যান্য বাঘের তুলনায় কিছুটা বেশি। বৃদ্ধিও হয় দ্রুত। এদের একেকটির ওজন ২০০ থেকে ২৬০ কেজির মতো। দৈর্ঘ্য হয় ৩ মিটার। সাফারি পার্কে থাকা বাঘটি স্ত্রী। তিনি বলেন, জেব্রার মতো বাঘের শরীরের ডোরাকাটা প্যাটার্ন অনন্য হয়ে থাকে। অর্থাৎ, একটির সঙ্গে আরেকটির কোনো মিল থাকে না।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তবিবুর রহমান বলেন, পার্ক খোলা হওয়ার পর দর্শনার্থীরা কোর সাফারিতে গিয়ে সাদা বাঘ দেখে আনন্দ নিচ্ছেন। বিশেষ করে শিশুরা বাঘ দেখে খুব আনন্দ পাচ্ছে। সারা পৃথিবীতে স্বল্পসংখ্যক সাদা বাঘের মধ্যে বাংলাদেশে আমাদের এখানে একটি আছে।
from WordPress https://ift.tt/3mD8fBo
via IFTTT