পৌরসভায় যুক্ত হওয়ার পরও মধ্যদুর্গাপুর এলাকার মতো বর্ধিত অংশের বাসিন্দারা গত ৩১ বছরেও শহুরে জীবনের তেমন একটা সুবিধা পাননি। এসব এলাকার বেশির ভাগ রাস্তাঘাট কাঁচা। নেই বর্জ্য ও পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা। পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইন না থাকায় নলকূপ ও পুকুরের পানিই ভরসা। নিয়মিত কর দিলেও ন্যূনতম নাগরিক সেবা পাচ্ছেন না এসব এলাকার মানুষ।
নওগাঁ পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৯ সালে পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত হয় রজাকপুর, শেখপুরা, বোয়ালিয়া, জগৎসিংহপুর, খালিশকুড়ি, ভবানীপুর, সুলতানপুর জেলেপাড়া, কোমাইগাড়ি, বরুনকান্দি, শিবপুর, চকবাড়িয়া, দুর্গাপুর, চকমুক্তার ও চকরাম চন্দ্র গ্রাম। বর্তমানে জনসংখ্যা প্রায় পৌনে দুই লাখ।
৯ জানুয়ারি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নওগাঁ পৌরসভার বর্ধিত অংশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কোথাও পিচঢালা ও ইট বিছানো রাস্তা থাকলেও সংস্কারের অভাবে সেগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক এলাকায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় শুষ্ক মৌসুমেও পানি জমে আছে।
৯ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত ভবানীপুরের বাসিন্দা ও কলেজশিক্ষক মীর মোশাররফ হোসেন বলেন, পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত এলাকার বাসিন্দাদের করের সমপরিমাণ কর দেন বর্ধিত অংশের বাসিন্দারা। অথচ, বিদ্যুৎ ছাড়া কোনো সুবিধাই নেই বর্ধিত অংশে। পাঁচ বছর ধরে সরবরাহ লাইনে পানি আসার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এখনো আসেনি। ড্রেনের কথা বারবার বলেও কোনো কাজ হচ্ছে না। বছরে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে জলাবদ্ধ থাকে।
from WordPress https://ift.tt/39Fle05
via IFTTT