দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক খেলেছে রহমতগঞ্জ। রেমির পেনাল্টি আদায় সেই আক্রমণেরই ফসল। বক্সের মধ্যে ভয়ংকর গতিতে ঢুকে যাওয়া রেমিকে ফেলে দেন সাইফ অধিনায়ক রিয়াদুল হাসান। রেফারি আনিসুর রহমান সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলেন রেমি। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দারুণ দক্ষতায় বলটা ঠেকিয়ে দেন সাইফের গোলরক্ষক পাপ্পু হোসেন। ফিরতি বল থেকে সামনে দাঁড়ানো রহমতগঞ্জের ফরোয়ার্ড সাজিদুর রহমানও গোলটা করতে পারলেন না! সে–যাত্রায়ও কর্নারের বিনিময়ে গোল বাঁচিয়ে দিলেন গোলরক্ষক পাপ্পু।
গোল পেতে মরিয়া সাইফ এরপর একাধিকবার আক্রমণে উঠেছে। ৬১ মিনিটে তো ওকোলির পাস থেকে বল পেয়েও সাহেদুল বল পাঠালেন বারের ওপর দিয়ে। পুরো ম্যাচে ফেডারেশন কাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা কেনেথও চেষ্টা করেছেন। বেশ কয়েকবার গোলের জন্য শট নিয়েছেন, কিন্তু একবারও জালে পাঠাতে পারেননি। ম্যাচের শেষ সময়ে এসে আবারও সাইফের জন ওকোলি দারুণ একটা সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর শটটি হাঁটু দিয়ে ঠেকিয়ে দেন রহমতগঞ্জ গোলরক্ষক রাসেল মাহমুদ লিটন। শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে সাইফের বেলজিয়ান কোচ পল পুটকে।
আগামীকাল লিগের পরের ম্যাচে মোহামেডানের মুখোমুখি হবে আরামবাগ।
from WordPress https://ift.tt/3nOHidB
via IFTTT