আজম খান ও ফকির আলমগীর কাছাকাছি এলাকায় থাকতেন। একজন কমলাপুরে, অন্যজন খিলগাঁওয়ে। একসঙ্গে তাঁরা দুজন ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আর তাঁদের নেতৃত্বে ছিলেন নিজামুল হক, কামাল লোহানী—জানান ফকির আলমগীর। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা, গানবাজনা, আড্ডার প্রতি তাঁর দারুণ ঝোঁক ছিল। আমরা প্রায় সময় কমলাপুরের রেললাইন ধরে হেঁটে চলতাম। আজ মনে পড়ছে, আমাদের কমলাপুর রেললাইনের সেই আড্ডা একই সঙ্গে মনুমিতা হোটেল, চিটাগাং হোটেলের আড্ডা এবং মতিঝিল পেট্রলপাম্পে লম্বা আড্ডা চলত। গান চলত। আরও কত কী!’
ফকির আলমগীরের এখনো নানা ভাবে নানা সময়ে মনে পড়ে শিল্পী আজম খানকে। তিনি বলেন, ‘আমার তো শুধু একার নয়, সারা দেশের এমনকি বাংলাদেশিদের যাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে আছেন, সবার সব সময় মনে পড়ে তাঁকে। কিন্তু আমার সব সময় মানুষ আজমকে মনে পড়ে। কারণ, আমাদের প্রতি তাঁর লুকানো একটা ভালোবাসা ছিল। সে তাঁর ভালোবাসা কখনোই দেখাত না। নিজেকে খুব আড়াল করে রাখত।’
from WordPress https://ift.tt/2ZXntay
via IFTTT